শিশুদের মধ্যে মোবাইল ফোনের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে উদ্বেগজনক মাত্রায় প্রযুক্তি-আসক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম শিশুদের ঘুম, একাগ্রতা, শিক্ষার অগ্রগতি ও মানসিক স্বাস্থ্যে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
অভিভাবকদের অজান্তে অনেক শিশু দিনে ৪-৬ ঘণ্টার বেশি সময় মোবাইলে কাটাচ্ছে গেম, ভিডিও, সোশ্যাল মিডিয়া ও শর্ট ভিডিও অ্যাপের প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণই এই আসক্তির প্রধান কারণ। দীর্ঘসময় স্ক্রিন ব্যবহারে শিশুদের আচরণে খিটখিটে স্বভাব, মনোযোগ কমে যাওয়া, চোখের সমস্যা, এবং বাস্তব সামাজিকতা থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন-
মোবাইল আসক্তি শিশুদের মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত করে।
ঘুমের ব্যাঘাত ও স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
হতাশা, আক্রমণাত্মক আচরণ ও সামাজিক দক্ষতা কমে।
শিক্ষায় মনোযোগ ও ফলাফল হ্রাস পায়।
অভিভাবকদের করণীয়-
দৈনিক নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ।
খাবার বা ঘুমের সময় মোবাইল নিষিদ্ধ করা।
বিকল্প কার্যক্রম আঁকা, পড়া, খেলাধুলা বাড়ানো।
শিশুর সামনে মোবাইল ব্যবহারে অভিভাবকদেরও সচেতন থাকা।
শিশুকে অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে বুঝানো।

Leave a Reply